Breaking News
Home / কেরিয়ার / কাজের ক্ষেত্র / অল্প পুঁজিতে নতুন ব্যাবসা
অল্প পুজিতে নতুন ব্যাবসা

অল্প পুঁজিতে নতুন ব্যাবসা

ব্যবসা আগে নিজেকে বাজিয়ে দেখুন

কোন ব্যবসা শুরু করার আগে বেশ কিছু প্রশ্ন আপনি নিজেকেই করতে পারেন। আপনি নিজে কি কাজ করতে পছন্দ করেন? আপনি কোন কাজটি সবচেয়ে ভাল পারেন?

ব্যবসা সংক্রান্ত টিপস দিতে উদ্যোক্তাদের নিজেদেরকেই এই দুটো প্রশ্ন করতে বলেছেন বিজনেস এনালাইসিস নিয়ে কাজ করা লাইট ক্যাসেল পার্টনারসের সিইও বিজন ইসলাম।
সিটি ব্যাংকের ভাল সম্মানীর চাকরি ছেড়ে বিজনেস এনালাইসিসকে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।তার মতে, নতুন উদ্যোক্তাদের এই দুটি প্রশ্নের উত্তর বের করে সেই অনুযায়ী কাজ করে যাওয়াই ভাল।
সেভেন্টিন ইভেন্ট অর্গানাইজেশনের সিইও শাহিন রহমান বলেন, ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোন গ্রাউন্ড ব্রেকিং আইডিয়া নয়।আমরা নিজেরা মজা করতে করতে আমাদের কাজ করে যাই’।

তাই তিনিও মনে করেন নিজের মন থেকে খুশী হয়ে যেই কাজ করা হয় সেটাতেই সফল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী।

তরল সাবান তৈরির ব্যবসা

লিকুইড ডিসওয়াশ বা তরল সাবান দিয়ে থালাবাসন ধোয়া খুব সহজ।
অল্প পরিমাণ তরল সাবানে অনেক ফেনা হয় এবং সহজেই থালা বাসন পরিষ্কার হয় বলে দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে।অনেক বাড়িতেই এখন থালাবাসন ধোয়ার জন্য তরল সাবান ব্যবহৃত হয়।এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়াদাওয়া শেষে প্লেট, গ্লাস, চামচ ইত্যাদি ধোওয়ার জন্য তরল সাবান ব্যবহার করা হয়।

হাঁস-মুরগির খাদ্য তৈরি

গ্রাম বা শহর সব জায়গার শাড়ি, জুতা, মিষ্টি, খাবার প্রভৃতির দোকানে প্যাকেট দরকার হয়।
ভালো প্যাকেজিং ছাড়া ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নতি সম্ভব হয় না।

উন্নত মানের প্যাকেজিং বাক্স তৈরি করে দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানী করা যেতে পারে।

বিভিন্ন ধরনের পণ্য সামগ্রী বাজারজাত এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট ব্যবহৃত হয়।
যেমন- শাড়ীর বাক্স, জুতোর বাক্স, মিষ্টির বাক্স, বিরিয়ানীর বাক্স ইত্যাদি। মোটা, শক্ত কাগজ দিয়ে এসব প্যাকেট তৈরি করাকে প্যাকেজিং বলা হয়।

মোমবাতি

দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণের মধ্যে মোমবাতি অন্যতম।
অল্প খরচের মধ্যে আলো পেতে মোমবাতি খুবই উপকারী পণ্য।কাঁচামাল হিসেবে প্যারাফিন ব্যবহার করে খুব সহজে মোমবাতি তৈরি করা যায়। বর্তমান সময়ে প্রয়োজনীয় সময়ে আলো দানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, এমনকি শো পিস হিসেবেও নানা রং ও আকৃতির মোমবাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণত বিভিন্ন আকৃতির নকশা করা নানা রঙের মোমবাতির চাহিদা মূলত শহরেই বেশি দেখা যায়।
এ জাতীয় মোমবাতি শহরের সৌখিন পণ্য বিক্রির দোকানে সরবরাহ করা যেতে পারে।”

ফুলের দোকান

নানান অনুষ্ঠানে অনেক বেশি পরিমাণে ফুলের প্রয়োজন হয়।
এই ফুলের জোগান দিয়ে থাকে ফুলের দোকান।আমাদের দেশের প্রায় সকল ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ফুল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত সারাবছরই ফুলের চাহিদা থাকে। বিশেষ করে শীতকালে বিয়ে, গায়ে হলুদ, নানান সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা ইত্যাদি বেশি থাকে বলে এই সময় ফুলের চাহিদাও বেশি থাকে। এছাড়া গৃহসজ্জার কাজেও সৌখিন মানুষ ফুল কিনে থাকে।ফুলের দোকান দেবার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করতে হবে।বাজারের কেন্দ্র বা যে সব স্থানে লোকসমাগম হয় সে রকম স্থানে ফুলের দোকান দিতে হবে।

ভ্যান-এ শাকসবজি

বিক্রেতারা ভ্যান-এ করে প্রয়োজনীয় শাকসবজি মানুষের বাড়ি বাড়ি নিয়ে বিক্রি করে। এর ফলে মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় শাকসবজি যেমন ঘরে বসেই কিনতে পারে তেমনি এটিকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষও ব্যবসা করার সুযোগ লাভ করে। আগ্রহী যে কেউই অল্প পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিক্রেতারা বাজারের তুলনায় অপেক্ষাকৃত একটু কম দামে সবজি বিক্রি করতে পারে। কারণ বাজারের ঘর ভাড়া দিতে হয় না।

পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের ব্যবসা

দৈনন্দিন জীবনে অব্যবহৃত পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করে যে কেউ ব্যবসা করতে পারে।
ব্যবসা করতে হলে প্রাথমিকভাবে দুটি মেশিন লাগবে। গ্রীন পিপি, সাদা পিপি, ব্লু পিপি, লাল পিপি, প্যারস্যুট, প্রাণ ইত্যাদি বিভিন্ন প্লাস্টিক সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে হবে। লাভজনক এ ব্যবসাটি করার ক্ষেত্রে সকল ধরনের বিষয় এ কনটেন্ট হতে জানা যাবে।

সেমাই তৈরি

সেমাই খুবই সুস্বাদু একটি খাবার। ছোটবড় সবাই সেমাই খেতে পছন্দ করে। আমাদের দেশে বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে ঘরে ঘরে সেমাই রান্না করতে দেখা যায়। বিভিন্ন ধর্মীয় বা সামাজিক উৎসবে খাবার হিসেবে সেমাই-এর ব্যবহার রয়েছে। গ্রাম বা শহর সব জায়গাতেই ছোটবড় সবার কাছে সেমাই-এর কদর রয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশে উন্নতমানের সেমাই তৈরি হচ্ছে এবং এগুলো বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করাও সম্ভব হচ্ছে।

কাগজের ব্যাগ উৎপাদন

যে কোনো পণ্য উৎপাদনের পর তা প্যাকেটজাত করে ক্রেতা বা ব্যবহাকারীর কাছে পৌঁছে দিতে হয়।পরিবেশবান্ধব ও দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করা যায় বলে প্যাকেটজাতকরণে কাগজের ব্যাগ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পলিথিন ব্যাগ এখন সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। আগে যেখানে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হত বর্তমানে সেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে কাগজের ব্যাগ। নানান রকম কাগজ দিয়ে কাগজের ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। কাগজের ব্যাগ তৈরি করে স্থানীয় দোকানগুলোতে তা সরবরাহ

খাবারের দোকান বা হোটেল

হোটেল বা খাবারের দোকান এমন স্থান যেখানে টাকার বিনিময়ে খাবার পাওয়া যায়।
ঘরের বাইরে থাকলে, ভ্রমণকালে, অফিস থেকে বাসা দূরে হলে এবং সময় বাঁচাতে হলে অল্প খরচে পরিচ্ছন্ন ও পুষ্টিকর খাবার নিদির্ষ্ট সময়ে নিয়মিত হাতের কাছে পাওয়াটা কঠিন ব্যাপার।

হোটেল বা খাবারের দোকান এই সমস্যার সমাধান করে দেয়।

চায়ের দোকান

অল্প পুঁজি দিয়ে ছোটখাটো যেসব ব্যবসা করা যেতে পারে চা’র দোকান এর মধ্যে অন্যতম।
পরিবারের যে কোনো বয়সের ব্যক্তি চা’র দোকান চালাতে পারে। চা-এর দোকানে বিস্কুট, কলা, কেক, পাউরুটি ইত্যাদিও বিক্রি হতে দেখা যায়। খুব ছোট আকারেও এ ব্যবসা শুরু করা যায়। যে কোনো স্থানেই চা-এর দোকান করা সম্ভব। তবে রাস্তার মোড়ে হলে ব্যবসা ভালো চলে। এছাড়া অনেক লোকসমাগম ঘটে এমন যে কোনো জায়াগাতে চা-এর দোকান গড়ে তোলা যেতে পারে। অনেক সময় বড় রাস্তার পাশে দোকান দিলে ভালো জমে উঠে

গোলাপজল

সাধারণত বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় গোলাপজলের চাহিদা বেশি থাকে। গোলাপজল তৈরি করে মুদি ও মনোহারী দোকানে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে গোলাপজল বিক্রি করা সম্ভব। বাজারের যে স্থানে লোকসমাগম বেশি হয় সেখানে স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান দিয়ে গোলাপজল বিক্রি করা সম্ভব। এছাড়া মাজারের আশেপাশের দোকানে গোলাপজল বিক্রির সম্ভাবনা অনেক বেশি।

ব্যানার ও সাইনবোর্ডের দোকান

ব্যানার মূলত স্বল্প সময়ের অধিবেশন ও স্বল্পকালীন তথ্য প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ব্যানার সাধারণত কাপড়ের উপর বিভিন্ন রং দিয়ে লেখা হয়। সাইনবোর্ড সাধারণত দোকান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন- স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত, দোকান প্রভৃতির সামনে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া রাস্তার পাশে বিভিন্ন নির্দেশ ও নানান দীর্ঘমেয়াদি বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হয়। সাইনবোর্ড সাধারণত বেশি সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এ কারণে সাইনবোর্ডে লেখার জন্য অ্যালুমিনিয়াম, টিন, স্টিল বা কাঠ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কাঠের ব্লক তৈরি ও ব্যবসা

কাপড় ছাপানোর জন্য কাঠের ব্লক ব্যবহার করা হয়।শাড়ি, জামা-পায়জামা, টেবিল ক্লথ, টিভির পর্দা, বিছানার চাদর ইত্যাদিতে বিভিন্ন ধরনের ব্লক ডিজাইন করা হয়। মানুষের রুচি পরিবর্তনের সাথে সাথে নিত্য নতুন ডিজাইনের চাহিদা দেখা দিচ্ছে। তাই নিত্য নতুন ডিজাইনের কাঠের ব্লক তৈরিকে পেশা হিসেবে নিয়ে যে কোনো ব্যক্তি নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন। এক রঙা কাপড়ে বিভিন্ন ডিজাইন ও বিভিন্ন রঙের ছাপ দিয়ে কাপড়টিকে আরো সুন্দর করে তোলা হয়।এই ছাপ দেওয়ার জন্য ডাইস প্রয়োজন। ডাইসগুলো কাঠের তৈরি হয়। ছোট ছোট কাঠের মধ্যে খোঁদাই করে এ ডাইস তৈরি করা হয়। বিভিন্ন ডিজাইন ও সাইজের ব্লক ডাইস তৈরি ব্যবসা করে যে কোনো ব্যক্তি স্বাবলম্বী হতে পারেন

কাঠের আসবাবপত্রের ব্যবসা

স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে, কাঠের আসবাবপত্রের ব্যবসা এর মধ্যে অন্যতম। পুঁজি বেশি থাকলে যে কোনো ব্যক্তি কাঠের আসবাবপত্রের ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। কাঠ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র, শো-পিস, সৌখিন পণ্য ইত্যাদি তৈরি এবং কাঠের আসবাবপত্র বিক্রি করা উভয়ই ব্যবসা হতে পারে। এক্ষেত্রে দেখা যায় এ ধরনের ব্যবসায়ীরা কাঠমিস্ত্রিদের কাছে অর্ডার দিয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের আসবাবপত্র বানিয়ে দোকানে এনে বিক্রি করে থাকে।

প্যাকেজিং ব্যবসা

গ্রাম বা শহর সব জায়গার শাড়ি, জুতা, মিষ্টি, খাবার প্রভৃতির দোকানে প্যাকেট দরকার হয়। ভালো প্যাকেজিং ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি সম্ভব হয় না। উন্নতমানের প্যাকেজিং বাক্স তৈরি করে দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যেতে পারে। বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী বাজারজাত এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট ব্যবহৃত হয়। যেমন- শাড়ির বাক্স, জুতোর বাক্স, মিষ্টির বাক্স, বিরিয়ানীর বাক্স ইত্যাদি।  মোটা, শক্ত কাগজ দিয়ে এসব প্যাকেট তৈরি করাকে প্যাকেজিং বলা হয়।

চক তৈরি ব্যবসা

চক হচ্ছে একটি অতি পরিচিত পণ্য। এর বাজার কমবেশি সবখানেই আছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা গ্রামের বাজার কিংবা শহরের পাইকারি দোকানদারদের কাছে চক বিক্রি করে। খুচরা বিক্রি তেমন লাভজনক নয়। অধিকাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা নিজেদের তৈরি চক নিজেরাই বিক্রি করে। বাজারে চকের দাম মোটামুটি নির্দিষ্ট থাকে। দাম খুব বেশি উঠা-নামা করে না। তবে বিক্রির আগে কয়েকজন পাইকারের কাছ থেকে দাম যাচাই করে নেয়া উচিত। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে তৈরি চক বিক্রি করা সম্ভব।

বই বাঁধানো

ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পকারখানা, অফিস-আদালত, ব্যাংক সবখানেই হিসাবের খাতাসহ নানান ধরনের বই ও প্রকাশনা সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। এসব প্রকাশনাগুলোকে সুন্দর ও মজবুত করার জন্য বাঁধাই করার প্রয়োজন হয়। বই বাঁধাই না করলে এটি সহজে ছিঁড়ে যায়। মোটামুটি সব মৌসুমেই বই ও খাতা বাঁধানোর কাজ চলে। বই বাঁধানো শিখে যে কোনো ব্যক্তি সহজে এ ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

গুঁড়ামসলা তৈরি ও প্যাকেটজাতকরণ

উন্নত উপায়ে বিভিন্ন রকমের মসলা গুঁড়া করে বাজারজাত করতে পারলে লাভবান হওয়া সম্ভব।রান্নার কাজটি দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে শেষ করার জন্য বর্তমানে বাটা মসলার জায়গায় গুঁড়া মসলার ব্যবহার বাড়ছে। এর মধ্যে জিরা, ধনিয়া, হলুদ, মরিচ, গরম মসলা ইত্যাদি অন্যতম। কাঁচামাল ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে মেশিনে গুঁড়া করে উন্নত উপায়ে প্যাকেটজাত করতে পারলে এ ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

মুরগির ব্যবসা

খামার থেকে ব্রয়লার মুরগি, ডিম ইত্যাদি কিনেও ব্যবসা শুরু করতে পারেন। মাত্র ২৫-৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেই লাভজনক এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। যেকোন কাজকেই সন্মান করতে শিখুন। কোন ব্যবসাকেই ছোট করে দেখবেন না। পাড়ার লোকে কি বলবে এত শোনার সময় আপনার নেই। আমি এক নাপিতের কথা জেনেছি। উপার্জন ছিল খুবই ভাল। বিয়ের পর শ্বশুর গ্রামের লোকেরা খারাপ বলে বিধায় নাপিতের পেশা ছেড়ে দিয়েছে! এখন সে দিনমজুরী করে কোন রকম পেট চালায়। অপরদিকে ভারতের রমেশ বাবু বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়িতে চেপে তার সেলুনে যান অন্যের চুল কাটতে।

দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যসামগ্রী

দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি করেও অনেক টাকা উপার্জন করা যায়।

উপহার সামগ্রীর দোকান
উপহার সামগ্রী, বাচ্চাদের খেলনা, ফুলের দোকান ইত্যাদির ব্যবসা খুলতে পারেন।

হোম ক্যান্টিন

যেখানে জনসংখ্যা অধিক সেখানে কাজকর্মও বেশি।বেশি থাকে অফিস বা প্রতিষ্ঠান। কাজের চাপে অনেকেই দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য অফিসের বাইরে যেতে পারে না। তাই আপনি বিভিন্ন অফিসে খাবার সরবরাহ করার জন্য হোম ক্যান্টিন খুলতে পারেন। এজন্য বাসাতেই রান্না করতে পারবেন। অতঃপর তা অর্ডার অনুযায়ী যথা সময়েই অফিসে পৌঁছে দিবেন

কম্পিউটার, ল্যাপটপ মেরামত

যদি আপনি কম্পিউটার, ল্যাপটপ মেরামত করতে পারেন তবে এটি আপনার জন্য একটি ভাল ব্যবসা হবে। যদি না পারেন তবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। সরকারীভাবেও প্রশিক্ষণ নেয়া যায়। মাত্র ৩-৬ মাসের প্রশিক্ষণ নিয়েই কম্পিউটার মেরামতের ব্যবসা খুলতে পারবেন।

জিম

আজকাল প্রত্যেক ব্যক্তিই স্বাস্থ্য ধরে রাখতে চায়। এজন্য অনেকেই জিমে যান। এটাকেই আপনি সুযোগ হিসেবে নিতে পারেন। একটি ভাল স্থান দেখে খুলে ফেলুন ব্যবসা। চাহিদা বাড়লে, উপার্জন বাড়লে বিভিন্ন স্থানে শাখা খুলে ফেলুন।

জেনারেল স্টোর

জেনারেল স্টোর বা গালামালের ব্যবসা খুবই লাভজনক। এসব দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন- সাবান, শ্যাম্পু, সৌন্দর্য প্রসাধনী, কলম, খাতাপত্র ইত্যাদি রাখবেন। এই ব্যবসায় পুরুষের সাথে মহিলারাও কাজ করতে পারবে।জেনারেল স্টোর জেনারেল স্টোর বা গালামালের ব্যবসা খুবই লাভজনক। এসব দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন- সাবান, শ্যাম্পু, সৌন্দর্য প্রসাধনী, কলম, খাতাপত্র ইত্যাদি রাখবেন। এই ব্যবসায় পুরুষের সাথে মহিলারাও কাজ করতে পারবে।

বিউটি পার্লার

মেয়েদের জন্য সবচেয়ে ভাল ও সহজ ব্যবসা হচ্ছে এটি। মাত্র ২-৩ মাসের বিউটিশিয়ান কোর্স করার পর একটি পার্লার খুলতে পারেন। পার্লার ব্যবসার ভবিষ্যত নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি না।

মুদির দোকান

আপনার পুঁজি স্বল্পতা আছে। তাই একটা মুদির দোকান দিতে পারেন। এই ব্যবসার একটা বড় সুবিধা হচ্ছে এতে অতিরিক্ত বুদ্ধিমত্তা লাগবে না। যেখানে দোকান কম কিন্তু বিক্রি হবে বেশি এমন স্থান পছন্দ করবেন। হোম ডেলিভারি পদ্ধতি চালু রাখতে পারেন। ফেজবুক পেজ খুলে ইনবক্সে অর্ডার নিতে পারেন। কাছাকাছি বাসায় পণ্য পৌঁছে দিবেন। দেখবেন আপনার ব্যবসা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মোবাইল ফোনের দোকান

আজকাল দেশের প্রায় লোকই মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। এই মোবাইল ফোনের চাহিদা দিনদিন বৃদ্ধিই পাবে বলা যায়। বর্তমানে মোবাইল ফোনের ব্যবসা খুবই জমজমাট হচ্ছে।  এজন্য কী অনেক বেশি পুঁজি লাগবে? প্রথমে ছোট পরিসরে অল্পকিছু মোবাইল নিয়েই একটা দোকান খুলুন। আস্তে আস্তে দোকান বড় করতে থাকবেন। এরপর ফোনের এক্সেসরিজ বিক্রি করবেন। আজকাল দেশের প্রায় লোকই মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। এই মোবাইল ফোনের চাহিদা দিনদিন বৃদ্ধিই পাবে বলা যায়। বর্তমানে মোবাইল ফোনের ব্যবসা খুবই জমজমাট হচ্ছে। এজন্য কী অনেক বেশি পুঁজি লাগবে? প্রথমে ছোট পরিসরে অল্পকিছু মোবাইল নিয়েই একটা দোকান খুলুন। আস্তে আস্তে দোকান বড় করতে থাকবেন। এরপর ফোনের এক্সেসরিজ বিক্রি করবেন।

About Parves Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *