Home / কেরিয়ার / কেরিয়ার কাউন্সেলিং / ওয়েবেও রয়েছে ক্যারিয়ারের সুযোগ
ওয়েবেও রয়েছে ক্যারিয়ারের সুযোগ

ওয়েবেও রয়েছে ক্যারিয়ারের সুযোগ

বর্তমান বিশ্বে অনলাইন শপিং থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, গবেষণা, শেয়ার বাজার, বিমানের টিকিট, খবর আদান – প্রদান, চিঠিপত্র থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় যে কোনো ধরনের কাজ এখন ওয়েব নির্ভর হয়ে পড়েছে। ফলে ওয়েব এক্সপার্ট – এর প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে। যুগের সাথে তাল মেলাতে এবং সময়ের দাবি মেটাতে আপনিও গড়তে পারেন ওয়েবভিত্তিক ক্যারিয়ার।

লিখেছেন- অছিউল আলম

তথ্য প্রযুক্তির উত্তরোত্তর উন্নতির ফলে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র। এরকমই একটি ক্ষেত্র হলো ওয়েব।

১৯৯৬ সালের ৪ জুন থেকে বাংলাদেশে অনলাইন ইন্টারনেট সেবা প্রদান শুরু হয়। অবাধ তথ্য আদান -প্রদান এবং যোগাযোগের এই মহাকালে ব্যক্তিগত প্রয়োজন থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্রমাগত বাড়ছে ইন্টারনেটের ব্যবহার। বর্তমানে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি অঙ্গনে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ওয়েব ও ই-কমার্স এগিয়ে। ওয়েবকে বাদ দিয়ে ইন্টারনেট কল্পনা করা যায় না। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার) এর সংখ্যা বাড়ছে। সাথে সাথে বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও। তাই ওয়েবভিত্তিক ক্যারিয়ারের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে ওয়েব বিষয়ক কোর্স করার আগে নিজেকে সঠিকভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন ওয়েবভিত্তিক পেশার কোন অংশটিকে আপনি বেছে নিবেন। যেহেতু ওয়েবের জগত বিস্তৃত, ক্ষেত্র বিশাল ও ব্যাপক তাই আপনাকে সতর্কতার সাথেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ওয়েবভিত্তিক ক্যারিয়ার গড়তে হলে ক্ষেত্রটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন।

১. ওয়েব ডিজাইনার বা সাইট বিল্ডার
২. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
৩. ওয়েব ডেভেলপার
৪. ওয়েব মাস্টার
৫. সিকিউরিটি স্পোশালিস্ট
৬. ওয়েব মার্কেটিং

ওয়েব ডিজাইনার বা সাইট বিল্ডার

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা যে সমস্ত বিষয় কম্পিউটার মনিটরে ব্রাউজ করি তাই ওয়েব পেইজ। আর ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর মাধ্যমে আমরা যেসব ওয়েব পেইজের কারিশমা কম্পিউটার মনিটরে দেখি তা কোনো না কোনো ওয়েব ডিজাইনারের তৈরি। অ্যানিমেশন, বর্ণ, শব্দ – এসবের সমন্বয়ে যেসব ওয়েব পেইজ ইন্টারনেটে প্রদর্শন করা হয় সেগুলোর সমন্বয় সাধনের কাজটি করেন একজন ওয়েব ডিজাইনার।

ওয়েব পেইজ তৈরি করে সার্ভার কম্পিউটারে জমা রাখতে হয়। অর্থাৎ মূল কথা হলো প্রথমে ওয়েব পেইজ ডিজাইন করা। একটি ওয়েব পেইজ ডিজাইন করতে হলে অনেকগুলো বিষয়ের উপর নজর রাখতে হয়। কারণ, ওয়েব পেইজে আপনার প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ফুটে উঠবে। বিশ্বের যে কোনো ব্যক্তি এই ওয়েব পেইজ দেখার অধিকার রাখে। এটি সাধারণত দৃষ্টিনন্দন, অভিজাত, রুচিশীল ও বাস্তবসম্মত হতে হয়। যেন কেউ একবার আপনার ওয়েব পেইজ দেখলে আরেকবার দেখতে চায়। ওয়েব পেইজকে হতে হবে তথ্য নির্ভর ও আকারে এমন যেন ডাউনলোড এবং ব্রাউজিংয়ে সময় কম লাগে। কোন ধরনের গ্রাহক আপনার ওয়েব দেখবে সেটাও ভাবতে হবে। আবার আপনাকে এই ওয়েব পেইজের সিকিউরিটির কথাও স্মরণ রাখতে হবে। কারণ আপনার ডেটা বেইজকে কেউ হ্যাকিং করে উল্টেপাল্টে দিলে লোকসান হতে পারে। সাধারণত উপরোক্ত চিন্তা ভাবনা মাথায় রেখে যিনি ওয়েব পেইজের মূল স্ট্রাকচার তৈরি করেন তিনিই হলেন একজন ওয়েব ডিজাইনার। ওয়েব ডিজাইনারকে পেইজ ডিজাইন বিষয়ে বিভিন্ন জ্ঞান রাখার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।

যোগ্যতা : সাধারণত এইচএসসি। অনার্স লেভেলের ছাত্রছাত্রী হলে ভালো, তবে একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড যাই হোক না কেন ভাষাজ্ঞান সম্পর্কে তার ভালো ধারণা থাকতে হবে। সর্বোপরি একজন ওয়েব ডিজাইনারকে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হবে।

প্রশিক্ষণের সময়ঃ ৪০-৪২ টি ক্লাশ।
প্রতিদিন ক্লাশঃ ১.৫ – ২ ঘন্টা।
আনুমানিক খরচঃ ১৫,০০০ – ৫০,০০০ টাকা।

ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামার

শুধু ডিজাইন আর লেআউট তৈরি করলে হবে না। একই সাথে একটি ওয়বসাইটে প্রাণ সঞ্চার করার জন্য দরকার যথাযথ প্রোগ্রামিং। সাধারণত ওয়েব প্রোগ্রামকে ওয়ব পেইজ বলা হয়। ওয়েব পেইজ তৈরি হয় কিছু প্রোগ্রামের সাহায্যে যেমন এইচটিএমএল, ডিএইচটিএমএল, ওয়াপ ইত্যাদি। এসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করে যিনি ওয়েব পেইজ লিখেন তাকে ওয়েব প্রোগ্রামার বলা হয়। বিশ্বে এ পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

যোগ্যতাঃ সাধারণত এইচএসসি বা অনার্স লেভেলের ছাত্রছাত্রী ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামার হলে কাজ বুঝতে সুবিধা হবে। এ পেশায় সফল হতে হলে যুক্তিবিদ্যা, গ্র্যাফ ও মাল্টিমিডিয়া ডিজাইনে দক্ষতা থাকতে হবে। সর্বোপরি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ অর্থাৎ কম্পিউটার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণের সময়ঃ ৩০-৩২ টি ক্লাশ।
প্রতিটি ক্লাশঃ ১.৫-২ ঘন্টা।
আনুমানিক খরচঃ ১২,০০০-১৫,০০০ টাকা।

ওয়েব ডেভলপার

ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব পেইজ লেখা শেষ হওয়ার পর পেইজের নান্দনিকতা বৃদ্ধি, ওয়েবের সঙ্গে ডেটাবেজের সংযুক্তিকরণ, গ্রাফিক, অ্যানিমেশন, সাউন্ড, কালার কম্বিনেশনে পরিবর্তন, নতুনত্ব এনে ওয়েব পেইজের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে ফাইনাল আউটপুট দেওয়া ওয়েব ডেভলপারের কাজ। তাছাড়া পরবর্তীতে যে কোনো ধরনের পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধন ইত্যাদি দায়িত্বও থাকে তার উপর।

ওয়েব ডেভলপারকে ভিজ্যুয়াল বেসিক, জাভা, পার্ল, সিজিআই ইত্যাদি প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি ওয়েব ডেভলপমেন্টের বিভিন্ন টুল যেমন – ভিজ্যুয়াল ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

যোগ্যতাঃ অনার্স বা ডিগ্রি লেভেলের শিক্ষার্থীরা এ পেশায় আসতে পারে। কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ, প্রোগ্রামিং সম্বন্ধে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এবং অবশ্যই সৃজনশীলতা থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণের সময়ঃ ৪০-৪২ টি ক্লাশ।
প্রতিটি ক্লাশঃ ১.৫-২ ঘন্টা।
আনুমানিক খরচঃ ১৫,০০০-২০,০০০ টাকা।

ওয়েব মাস্টার বা সিস্টেম ম্যানেজার

একজন ওয়েব মাস্টারের গুরুত্ব ওয়েব ডিজাইনের ক্ষেত্রে কোনো অংশেই কম নয়। ওয়েব মাস্টার পুরো ওয়েব সাইটের পরিকল্পনা করেন। মূলত তার কাজ সাইট তৈরি, সাইটে মাল্টিমিডিয়া ও ডেটাবেজ সংযোজন, সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী কিংবা ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ ইত্যাদি। এজন্য তাকে ইন্টারনেটের প্রাণ বলা হয়। ওয়েব সাইটের সবকিছু ঠিকমতো চলছে কি না সে খোঁজখবর রাখাও তার কাজ। এজন্য সাইবার নেটওয়ার্কিং, বিভিন্ন নেটওয়ার্কিং অপারেটিং সিস্টেম যেমন- ইউনিক্স, লিনাক্স, ওয়েব ডিজাইনসহ ওরাকল, জাভা স্ক্রিপ্ট ইত্যাদির পাশাপাশি সাইবার আইন, নেটওয়ার্কিং আর্কিটেকচারসহ ওয়েব সিকিউরিটির বিষয়টিও তাকে দেখতে হবে। ওয়েব মাস্টারের ওয়েব ডিজাইনারের যাবতীয় জ্ঞান ও গুণাবলী ছাড়াও নেটওয়ার্কিং সম্পর্কিত জ্ঞান থাকতে হবে।

যোগ্যতাঃ যেহেতু একজন ওয়েব মাস্টার পুরো ওয়েবসাইটের পরিকল্পনা করেন। তাই সব বিষয়েই তার মোটামুটি ধারণা থাকতে হবে।
প্রশিক্ষণের সময়ঃ ৪০-৪২ টি ক্লাশ।
প্রতিটি ক্লাশঃ ১.৫-২ ঘন্টা
আনুমানিক খরচঃ ১৫,০০০-২০,০০০ টাকা।

সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট

ওয়েবের ক্ষেত্রে অন্যতম বিষয় হচ্ছে এর নিরাপত্তা। কারণ হ্যাকাররা যে কোনা সময় আপনার ডেটাবেজের ক্ষতি সাধন করতে পারে। তাছাড়া ওয়েব বা ই-কমার্সের ক্ষেত্রে যেখানে কোটি কোটি টাকার ব্যাবসা হবে সেখানে নিরাপত্তার বিষয়টি মুখ্য। সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের কাজ হবে কম্পানির ওয়েবসাইট তথা পুরো সার্ভার সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একজন সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত জ্ঞান ছাড়াও জানতে হবে ফায়ারওয়াল টেকনোলজি এবং সিকিউরিটি হোল সম্পর্কে।

যোগ্যতাঃ অনার্স বা ডিগ্রি লেভেলের শিক্ষার্থীরা এ পেশায় আসতে পারেন। সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের নেটওয়ার্কিং, অপারেটিং সিস্টেম অর্থাৎ কম্পিউটার সম্পর্কিত ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণের সময়ঃ ৩০-৩২ টি ক্লাস।
প্রতিটি ক্লাশঃ ১.৫-২ ঘন্টা।
আনুমানিক খরচঃ ১৫,০০০-৩৫,০০০ টাকা।

ওয়েব মার্কেটিং

যে কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রেই বিপণন বা মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েবের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। কারণ বিশ্বে তো বটেই দেশেও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। সুতরাং ভবিষ্যতে ওয়েব মার্কেটিংও যে জনপ্রিয় হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

যোগ্যতাঃ ওয়েব মার্কেটিং এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট কোর্স নেই। এজন্য মার্কেটিং ব্যাকগ্রাউন্ডের পাশাপাশি ওয়েব টেকনোলজি, গ্রাফিক ডিজাইন, অফিস অ্যাপ্লিকেশন ইংরেজিতে দক্ষতাসহ প্রভৃতি বিষয়ে দক্ষ হতে হবে।

চাকরির সুযোগ

সন্দেহ নেই ওয়েব একটি বিস্তৃত ক্ষেত্র এবং দেশসহ বিশ্বে রয়েছে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ। ওয়েব এর উপর কাজ শিখে কেউ বেকার থাকে না। ওয়েবভিত্তিক কোর্স সম্পন্ন করে যে কোনো কমার্শিয়াল ফার্ম বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে পারেন। আবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওয়েব সংশ্লিষ্ট পেশায় যোগদান করতে পারেন। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি – বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক – বীমা কম্পানি এবং বিভিন্ন সংস্থা তাদের প্রয়োজনে ওয়েবসাইট খুলছে। ফলে ওয়েবভিক চাকরির সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি ওয়েবসাইটকে পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপনের জন্য ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে ওয়ের মার্কেটিং পর্যন্ত সবকিছুরই প্রয়োজন রয়েছে। তবে বর্তমানে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ওয়েব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও ওয়েব প্রোগ্রামার।

ওয়েব সংশ্লিষ্ট কাজের সম্মানী ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সম্মানী কত পাবেন সেটা সম্পুর্ণ নির্ভর করবে আপনার কর্মদক্ষতার উপর। আর যদি স্বাবলম্বী হতে চান তবে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করে ওয়েব ফার্ম গড়ে তুলতে পারেন। এক্ষেত্রে মেধা, ধৈর্য, কর্মদক্ষতা, কমিটমেন্টের সমন্বয় ঘটাতে পারলে আয়-রোজগার বেশ ভালোই হবে।

কীভাবে শিখবেন ওয়েব

মূলত ওয়েবভিত্তিক ক্যারিয়ারের জন্য ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ফ্লাশ, এইচটিএমএল, কোরেল ড্র, জাভা পার্ল, সিজিআই, ডিআইএইচটিএমএল, এসপি, কালার কম্বিনেশন, ড্রিম ওয়েভার, ওয়াপ, ইন্টারনেট, নেটওয়ার্কিং এবং সার্ভার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর উপর ডিগ্রি দিচ্ছে। তাছাড়া দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার আগে কিছুটা কৌশলের আশ্রয় নিতে পারেন-

• কে বা কারা শেখাবেন? তিনি বা তারা কী প্রফেশনাল? ফ্যাকাল্টির দক্ষতা কেমন?

• কি কি শেখাবেন এবং শিক্ষার উপকরণ কিংবা পরিবেশ কেমন? অর্থাৎ কোর্স কারিকুলামে অনেকেই জাভা, জাভা স্ক্রীপ্ট, সান জাভা শেখানোর কথা বলে। কিন্ত দেখা গেল শেষ পর্যন্ত তারা আপনাকে সেগুলো শেখালো না। সেক্ষেত্রে আপনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করে তারপর ভর্তি হবেন।

• কোর্স ফি কেমন? তবে কোর্স ফি বেশি হলেই যে প্রতিষ্ঠান ভালো হবে এ ধারণা ঠিক নয়।

• মানসম্মত প্রজেক্ট ওয়ার্ক আছে কি না?

উল্লেখিত প্রশ্নগুলোর যথাযথা উত্তর পেলে আপনি সেই প্রতিষ্ঠানে ভর্ভি হতে পারেন।

About Muhammad Faisal

Muhammad Faisal
একরাশ স্বপ্ন মুঠোয় করে হাটছি অবিরাম..........

Check Also

প্রিন্ট মিডিয়ায় ক্যারিয়ার মিডিয়ায় ক্যারিয়ার প্রথম পর্ব

প্রিন্ট মিডিয়ায় ক্যারিয়ার | মিডিয়ায় ক্যারিয়ার ( প্রথম পর্ব )

সময়ের ধারাবাহিকতায় মিডিয়া বিস্তৃত হচ্ছে। কমিউনিটি মিডিয়ার ধারণাও চলে এসেছে আমাদের দেশে। আগের যে কোনো …

2 comments

  1. অসাধারন, নিয়মিত পোষ্ট করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *