Home / তথ্য বিচিত্রা / কী, কেন, কখন, কোথায় / গ্রেনিচ মান মন্দির – বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর – ক্যালকুলেটরের আবিস্কার – খেমার
গ্রেনিচ মান মন্দির বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর ক্যালকুলেটরের আবিস্কার খেমার

গ্রেনিচ মান মন্দির – বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর – ক্যালকুলেটরের আবিস্কার – খেমার

গ্রেনিচ মান মন্দির কেন নির্মাণ করা হয়?

গভীর সমুদ্রের জাহাজের অবস্থান জানার জন্য মান মন্দির নির্মাণ করা হয়। ১৬৭৫ সালে রাজা দ্বিতীয় চার্লসের আদেশে ইংল্যান্ডের গ্রেনিচ শহরের রয়েল পার্ক এটি তৈরি করা হয়। স্যার ক্রিস্টোফার রেন ছিলেন এর স্থপতি। মন্দিরটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ফ্লেমস্টিককে নিয়োগ করা হয়। জন পৃথিবীর আয়তন ও স্থির নক্ষত্রসমূহের অবস্থান ইত্যাদি পর্যবেক্ষণইত্যাদিপর্যবেক্ষণ করে বিভিন্ন স্থানের নিখুঁত দ্রাঘিমা রেখার একটি তালিকা তৈরি করেন। এই তালিকার উপর নির্ভর করেই পরবর্তীতে গ্রেনিচ শহরের সময়কে প্রমাণ সময় এবং অন্যান্য স্থানের সময়কে স্থানীয় সময় নির্থারণ করা হয়।

 

বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর কোনটি?

বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দরের নাম কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দাম্মাম শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর দক্ষিণে অবস্থিত বিমানবন্দরটির আয়তন ৭৮০ কিলোমিটার। এটি ১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়। ৬ তলা বিশিষ্ট বন্দরটির ৩,২৭,৫০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে ৬টি টার্মিনাল ও ২টি রানওয়ে। যাত্রীদের সুবিধার্থে এখানে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে ১৫টি গেট, ১১টি সেতু, অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ৬৬টি এবং বিদেশী বিমানের জন্য ৪৪টি কাউন্টার ১৬,৪০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে দেশের রাজা ও শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের জন্য রাজকীয় টার্মিনাল। এখান থেকে ৪টি সেতুর মাধ্যমে অন্যান্য টার্মিনালের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। প্রতি বছর ২.৫ মিলিয়ন যাত্রী এই বিমানবন্দরটির আসা-যাওয়া করে।

 

ক্যালকুলেটরের আবিস্কার হলো কীভাবে?

ক্যালকুলেটর আবিস্কারের প্রাথমিক পর্যায় হলো গণনা যন্ত্র অ্যাবাকাস। খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে ব্যাবিলনে এটি তৈরি করা হয়। ১৬৪২ সালে ফ্রান্সের বৈজ্ঞানিক ক্লেইস প্রাসকেল প্রথম ক্যালকুলেটর মেশিন আবিস্কার করেন। এটির চাকার সাথে কয়েকটি গিয়ার সংযুক্ত করে এটি তৈরি করা হয়। এতে চাকা ঘুরিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্দেশক ডায়ালে একসেট শিটের মধ্যে গণনাকৃত ফলাফল দেখানো হতো। তবে প্যাসকেল আবিস্কৃত ক্যালকুলেটর দিয়ে শুধু যোগ-বিয়োগ করা যেত। পরবর্তীতে ১৬৯৪ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রাইড লিবনিজ প্যাসকেলের ক্যালকুলেটরের উন্নত সংস্করণ আবিস্কার করেন। এতে গুণ ও ভাগ করা যেত।

 

খেমার কাদের বলা হয়?

কম্বোডিয়ার আদি জাতিগোষ্ঠী খেমার নামে পরিচিত। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা এদের আদি বাসস্থান ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। কারণ এই অঞ্চলে খেমার রাজবংশর অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমান কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম জুড়ে বিস্তৃত খেমার সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল চেনলি। খ্রিস্টপূর্ব ৩,০০০(আনুমানিক) অব্দে এরা মালয় থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। দৈহিক গঠনের দিক দিয়ে মঙ্গোলিয়দের সাথে এদের যথেষ্ট মিল রয়েছে। খেমার জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা আছে। প্রাথমিকভাবে খেমাররা হিন্দু ধর্মের অনুসারী হলেও ১৩ শতকে নেপালের ধর্মীয় ঐতিহ্যে আকৃষ্ট হয়ে বৌদ্ধ মহাযানের অনুসারী হয় এবং বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের সংমিশ্রণে নতুন ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে। এদের প্রধান ভাষা পালি। খেমাররা খুবই পরিশ্রমী জাতি। বর্তমানে কম্বোডিয়াতে ৯০ শতাংশ এবং থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামের কিছু অংশে এই জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

About Muhammad Faisal

Muhammad Faisal
একরাশ স্বপ্ন মুঠোয় করে হাটছি অবিরাম..........

Check Also

রেলগাড়ি আবিষ্কার বিশ্বের বড় জাহাজ নেপলস খাজুরাহ কী কেন কখন কোথায় 8

রেলগাড়ি আবিষ্কার – বিশ্বের বড় জাহাজ – নেপলস – খাজুরাহ | কী কেন কখন কোথায় 8

খাজুরাহ কী? খাজুরাহ হলো ভারতের মধ্যযুগীয় মন্দির স্থাপত্য। দশম – একাদশ, শতকে ‘চান্দেলা’ রাজবংশের শাসনামলে …

One comment

  1. this is amazing history,,,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *