Home / তথ্য বিচিত্রা / কী, কেন, কখন, কোথায় / গ্রেট লেকস, সামুরাই, ফ্যাক্স মেশিন, সবচেয়ে বড় ভবন | কী কেন কখন কোথায় ৫
গ্রেট লেকস, সামুরাই, ফ্যাক্স মেশিন, সবচেয়ে বড় ভবন

গ্রেট লেকস, সামুরাই, ফ্যাক্স মেশিন, সবচেয়ে বড় ভবন | কী কেন কখন কোথায় ৫

গ্রেট লেকস কী

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের মধ্যে উত্তর আমেরিকার ১১৬০ মাইল দীর্ঘ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ৫ টি মিঠা পানির হ্রদ একত্রে গ্রেট লেকস নামে পরিচিত। হ্রদগুলো হচ্ছে- ওরি, মিশিগান, হিউরন এবং অন্টারিও। পাঁচটি হ্রদের মধ্যে একমাত্র মিশিগান হ্রদটিই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। অন্য হ্রদগুলোর প্রায় প্রত্যেকটির কেন্দ্রের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমারেখা চলে গেছে। হ্রদ পাঁচটির মোট আয়তন ৯৫ হাজার বর্গমাইল। সেন্ট লরেন্স, সী হয়ে দ্বারা হ্রদগুলো কানাডার মন্ট্রিল  ও কুইবেক এবং আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

সামুরাই কাদের বলা হয়

মধ্যযুগে জাপানের নাইটদের বলা হতো সামুরাই। মূলত ওই সময় বৃহৎ শক্তিসমূহের আগ্রাসী মনোভাব থেকে জাপানকে রক্ষার উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনীর একটি অংশকে দক্ষ যোদ্ধারূপে গড়ে তোলা হয়। এরা ঘোড়ার পিঠে চড়ে যুদ্ধ করত এবং যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করত লম্বা তলোয়ার। যদি যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকত তবে আত্নহত্যা করতে রাজী ছিল কিন্তু আত্নসমর্পণের পক্ষপাতী ছিল না। প্রায় ৮০০ বছর ধরে এরা জাপানের ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থানের অধিকারী ছিল। আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আবিস্কারের ফলে শাসনক্ষেত্রে তাদের সেই পদটি না থাকলেও জাপানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে এরা এখনও জনপ্রিয় ও সমাজে বিশেষ সম্মান লাভ করে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভবন কোনটি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভবন হলো পেন্টাগন। এটি আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দফতর। ভার্জিনিয়ার আরলিংটন শহরের পটোম্যাক নদীর তীরে অবস্থিত ভবনটি স্থাপত্য ও নির্মাণ শৈলীতে অনন্য। ৫৮৩ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত পঞ্চভুজাকৃতি ভবনটির মাঝখানে ৫ একর জায়গা খালি রাখা হয়েছে। ১৯৪১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ৫ জানুয়ারি, ১৯৪৩। ৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটির বিভন্ন অংশে যাওয়ার জন্য রয়েছে ১৯টি চলন্ত সিঁড়ি এবং ১৩টি লিফট। এছাড়া পেন্টাগনেস আশেপাশে রয়েছে ৩০ মাইল লম্বা রাস্তা, ২১টি ব্রিজ ও ওভারপাস।

ফ্যাক্স মেশিন আবিষ্কার হলো কীভাবে

টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ‘ইমেজ’ প্রেরণের আধুনিক যন্ত্র ফ্যাক্স মেশিনের উদ্ভব হয় ১৮৪৩ সালে, ইংল্যান্ডে। এতে দুটো পেন ও পেন্ডুলামকে তীরের মাধ্যমে ‘ইলেকট্রিকাল কনডাকটেড সারফেস’ পদ্ধতি অবলম্বন করে লেখার কাজে ব্যবহার করা হয়। ১৯০২ সালে জার্মানীর আর্থার করন প্রথম ‘টেলিফটোগ্রাফি’ আবিষ্কার করেন। এটি দিয়েই সফলভাবে বার্লিন থেকে মিউনিখে টেলিবার্তা প্রেরণ করা হয়। ১৯২৫ সালে ফ্রান্সের এডওয়ার্ড বেলিন ‘বেলিনোগ্রাফ’ তৈরি করেন। এরই উপর ভিত্তি করে ১৯৬৮ সালে জেরক্স কম্পানি জেরোগ্রাফির প্রচলন করে। ১৯৬৬ সালে আবিষ্কৃত হয় ‘ম্যাগনাফ্যাক্স টেলিপ্র্রিন্টার’। ১৭ কেজি ওজনের এই যন্ত্রটি দিয়ে ছয় মিনিটে একটি চিঠি নির্দিষ্ট স্থানে পাঠানো সম্ভব হয়। এবং ১৯৮০ সালের মধ্যে সহজে বহনযোগ্য ও অত্যন্ত দ্রুত কার্যকর ফ্যাক্স মেশিন তৈরি করা হয়।

About Parves Ahmed

Parves Ahmed
অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজে চলেছি, নিজেকে জানার চেষ্টা করছি, নিজের পথে হেটে চলছি॥

Check Also

লন্ডন টাওয়ার বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলপথ আইনু টেলিস্কোপ আবিষ্কার কী কেন কখন কোথায় ৩

লন্ডন টাওয়ার – বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলপথ – আইনু – টেলিস্কোপ আবিষ্কার | কী কেন কখন কোথায় ৩

লন্ডন টাওয়ার কী? লন্ডন টাওয়ার হলো একটি বিশাল অট্রালিকা, যার মধ্যে রয়েছে অনেকগুলো দুর্গ আকৃতির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *