Home / কেরিয়ার / জব ট্রেন্ড / ক্যারিয়ার গড়তে চাই যোগ্যতা | টেলিকমে ক্যারিয়ার (৩য় পর্ব)
ক্যারিয়ার গড়তে চাই যোগ্যতা টেলিকমে ক্যারিয়ার ৩য় পর্ব

ক্যারিয়ার গড়তে চাই যোগ্যতা | টেলিকমে ক্যারিয়ার (৩য় পর্ব)

ক্যারিয়ার গড়তে চাই যোগ্যতা

বর্তমান প্রেক্ষাপটে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার আগ্রহ অবশ্যই একটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশে যে কয়টি সম্ভাবনাময় শিল্প আছে, টেলি কম্পানিগুলো তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

এই সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে হলে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার, নেটওয়ার্কিং, টেলিকমিউনিকেশন এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট হলেই ভালো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারীদেরকেও প্রাধান্য দেয়া হয়। টেলিকমিউনিকেশনের সাথে জড়িত কম্পানিগুলোর প্রায় সবগুলো কাজের সাথেই প্রকৌশলবিদ্যার বিষয়টি সরাসরি জড়িত। তবে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা ও টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ পেয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি মেধা, অভিজ্ঞতা এবং টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে কাজ করার আগ্রহকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। অনেক সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে সদ্য পাশ করা গ্র্যাজুয়েট কিংবা ডিপ্লামা ইঞ্জিনিয়ারদেরও সারাসরি টেলিকমিউনিকেশনের সাথে জড়িত কম্পানিগুলো নিয়োগ দিয়ে থাকে। এছাড়া অনেক টেলি কম্পানি ইন্টার্নশীপ করার সুযোগ প্রদান করে, যা চাকরির ক্ষেত্রে বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তবে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরের সাথে জড়িত প্রত্যেকটি কম্পানিতেই মার্কেটিং, সেলস, কল সেন্টার, কাস্টমার সার্ভিস, একাউন্টস ডিপার্টমেন্টসহ অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট এমন বেশকিছু পদ থাকে, যেখানে প্রকৌশলবিদ্যা না জানলেও চলে। সাধারণত এসব পদে এমবিএ অথবা গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী প্রার্থীদেরকেই অগ্রাধিকার দেয়া হয়। এছাড়াও আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট অথবা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরাও অনায়াসে যে কোনো টেলি কম্পানিতে লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন।

এই সেক্টরে কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার মেধা, আগ্রহ, ধৈর্য, সাহস, পরিশ্রম করার মানসিকতা, বাংলা এবং ইংরেজি লেখা ও বলার দক্ষতার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতা, ভ্রমণের মানসিকতা, চাপের মধ্যে এবং নির্দিষ্ট ডেডলাইন বজায় রেখে কাজ করার ক্ষমতা, আকর্ষণীয় অভিব্যক্তি, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার দক্ষতা, বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা, প্রচলিত কম্পানি ও টেলিকমিউনিকেশন আইনসমূহ সম্পর্কে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা, বেসিক একাউন্টিং, ব্যবস্থাপনাগত জ্ঞান ও দক্ষতা, কম্পিউটার, নেটওয়ার্কিং, মার্কেটিং বিষয়ে দক্ষতা, উপস্থিত বুদ্ধি, সৃজনশীলতা এবং চ্যালেঞ্জ গ্রহণের অদম্য ইচ্ছা। এসব যোগ্যতা থাকলে এই সেক্টরে খুব সহজেই ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব।

চাকরি অথবা নিজে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে যেভাবেই ক্যারিয়ার গড়তে চান না কেন এই সেক্টর সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন সেটিই হচ্ছে আপনার যোগ্যতার অন্যতম ভিত্তি। সকল টেলিকমিউনিকেশনের সাথে সংশ্লিষ্ট কম্পানিই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতাকেই বেশি প্রধান্য দেয়। কারণ টেলি কম্পানিগুলোর প্রত্যেকটি কাজ সফলভাবে বাস্থবায়ন করতে কারিগরি দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।

About Muhammad Faisal

Muhammad Faisal
একরাশ স্বপ্ন মুঠোয় করে হাটছি অবিরাম..........

Check Also

টেলি কোম্পানি করতে চাইলে টেলিকমে ক্যারিয়ার শেষ পর্ব

টেলি কোম্পানি করতে চাইলে | টেলিকমে ক্যারিয়ার (শেষ পর্ব)

নিজেরও হতে পারে টেলি কম্পানি দেশে প্রতিনিয়তই গড়ে উঠছে বিভিন্ন টেলি কম্পানি। এই সেক্টর সম্পর্কে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *