Home / কেরিয়ার / কেরিয়ার কাউন্সেলিং / প্রিন্ট মিডিয়ায় ক্যারিয়ার | মিডিয়ায় ক্যারিয়ার ( প্রথম পর্ব )
প্রিন্ট মিডিয়ায় ক্যারিয়ার মিডিয়ায় ক্যারিয়ার প্রথম পর্ব

প্রিন্ট মিডিয়ায় ক্যারিয়ার | মিডিয়ায় ক্যারিয়ার ( প্রথম পর্ব )

সময়ের ধারাবাহিকতায় মিডিয়া বিস্তৃত হচ্ছে। কমিউনিটি মিডিয়ার ধারণাও চলে এসেছে আমাদের দেশে। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় কর্মক্ষেত্র এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়ে যাওয়ায় তারুণ্যের আগ্রহও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মিডিয়ায় কাজের সুযোগ, সে অনুপাতে যোগ্যতা এবং ফিউচার ক্যারিয়ার জানাচ্ছেন- মজুমদার বাবু

যুগ পাল্টেছে। পাল্টেছে মানুষের পেশাকেন্দ্রিক চিন্তা-ভাবনার ধরণ। এক সময় তরুণ প্রজন্ম ছুটত সরকারি চাকরির জন্য। এর পরবর্তি প্রজন্ম ছুটেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে। বর্তমান প্রজন্ম ছুটছে মাল্টিন্যাশনাল কম্পানি, মিডিয়া কিংবা মিডিয়া সংশ্লিষ্ট পেশার পেছনে। ভবিষ্যত প্রজন্ম কার পেছনে ছুটবে তা এখনই বলা মুশকিল, তবে মিডিয়ার প্রতি তরুণ্যের আগ্রহ বরাবরই ছিল। কিন্তু তখন সুযোগ এতটা ছিল না। পত্রিকার সংখ্যা গুণে বলা যেত। এর বাইরে ছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।

একটা সময় পর্যন্ত সাংবাদিকতা শুধু খবরের কাগজের গন্ডির মধ্যেই আটকে ছিল। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপ্লব ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকতা তার পুরনো গন্ডি ছাপিয়ে বহু দূরে ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকের অভিমত এখন খবরের কাগজের সাম্রাজ্য অনেকটাই দখল করে নিয়েছে টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেলগুলো। তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য খবরের কাগজগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজেদের অন লাইন এডিশন বের করছে। যদিও মিডিয়ার বিকাশে দুটোরই প্রয়োজন আছে। দেশের বাইরে বসে দেশি সংবাদপত্রের স্বাদ পেতে চাইলে শুধু মাউসে ক্লিক করলেই হলো! এছাড়া বড় বড় ওয়েবসাইটগুলোর প্রায় সকলেরই রয়েছে নিজস্ব নিউজ পোর্টাল। এমনকি, কমিউনিটি মিডিয়া নিয়েও চিন্তা -ভাবনা চলছে আমাদের দেশে। এত সুযোগ যখন রয়েছেই, তখন মিডিয়ায় ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে, তাতে আর আশ্চর্য কী! তাছাড়া এই পেশার সঙ্গে গ্ল্যামারের যে ব্যাপারটা জড়িয়ে থাকে, সেটাও নেহাত হেলাফেলার নয়।

সংবাদপত্র

দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংবাদপত্রের সংখ্যা, সেটা দৈনিক, সাপ্তাহিক কিংবা মাসিকই হোক না কেন। একই সঙ্গে বাড়ছে সংবাদপত্র সংশ্লিষ্ট পেশার সম্ভাবনা। অনেকের ধারণা ভবিষ্যতে টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সংবাদপত্রের গুরুত্ব লোপ পেতে পারে। এটা ঠিক নয়। সংবাদের গ্রহণযোগ্যতা ও পেছনের ভুমিকা উপস্থাপন এবং সংবাদের পেছনের সংবাদ খুঁজতে সংবাদপত্রের বিকল্প নেই। তাই পেশা হিসেবে প্রিন্ট মিডিয়া কখনই গুরুত্বহীন নয়।

এছাড়াও যারা সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিতে চান কিংবা বস্তুনিষ্ট সংবাদ উপস্থাপনে সচেষ্ট তাদের জন্য সংবাদপত্র একটি উৎকৃষ্ট স্থান। সাংবাদিকতার জগতে একটা কথা প্রচলিত আছে ‘রেডিও-টিভিতে স্টার হওয়া যায়, কিন্তু পত্রিকায় সংবাদকর্মী হওয়া যায় না’ সুতরাং যারা পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা বেছে নিতে চান সেটা ইলেকট্রনিক নাকি প্রিন্ট মিডিয়া সে সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হবে।

এবার একটি সংবাদপত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে সে বিষয়ে বলা যাক।

সংবাদপত্রে মূলত সম্পাদক, সহকারী সম্পাদক, উপ-সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, নগর সম্পাদক, ফিচার লেখক, বিশেষ সংবাদদাতা, স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক রিপোর্টার, ফটোগ্রাফার, প্রুফ রিডার, মেকআপ চিফ, মেকআপ ম্যান, পেস্টিং ম্যান, ম্যানেজমেন্ট, বিজ্ঞাপন বিভাগে কাজ করা যায়।

সম্পাদকঃ

সংবাদপত্রের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে সম্পাদক। মূলত সংবাদপত্রের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে তার উপর। একজন সফল সম্পাদক, একজন সফল ব্যবসায়ী, বিজ্ঞাপন অভিজ্ঞ, ম্যানেজার, সংবাদকর্মী, নীতি-নির্ধারক, মেকআপ চিফ, সর্বোপরি ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা। কারণ একজন সম্পাদকেকে সকল বিভাগের মধ্যেই সমন্বয় সাধন করতে হয়। একজন চৌকস সম্পাদক হতে হলে সংবাদপত্রের সকল বিভাগের ওপরই ভালো ধারণা থাকতে হবে। থাকতে হবে অভিজ্ঞতার বিশাল ভান্ডার। সম্পদক হবার স্বপ্নকে সামনে রেখেই সংবাদপত্রে কাজ শুরু করা উচিৎ।

উপ – সম্পাদকঃ

উপ – সম্পাদক মূলত সম্পাদক হিসেবে কাজ করার প্রাথমিক ধাপ। পত্রিকাগুলোতে এই পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। উপ – সম্পাদক হতে হলে সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহের উপর ভালো জ্ঞান, সর্বোপরি সংবাদ লেখায় দক্ষ হতে হবে।

সহাকারী সম্পাদকঃ

সম্পাদকের সহযোগী। অনেক ক্ষেত্রে সম্পাদকের অবর্তমানে তিনিই পত্রিকাকে চালিয়ে নেন। এজন্য এ পদে কাজ করতে হলে সম্পাদকের যাবতীয় গুণাবলী তার মধ্যে থাকতে হবে।

নগর ও বার্তা সম্পাদকঃ

এ দুটো পদের জন্য দ্রুত সংবাদ তৈরির কৌশল জানতে হবে। থাকতে হবে সম্পাদনায় দক্ষতা। জানতে হবে পাঠকের চাহিদা। হতে হবে দূরদর্শী, বিশেষত কোন সংবাদের প্রেক্ষিতে কি ধরণের প্রতিক্রিয়া হতে পরে সে সম্পর্কে। নগর ও বার্তা সম্পাদকই আগামী দিন সংবাদপত্রে কোন সংবাদটি প্রকাশিত হবে সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। পত্রিকাগুলোতে মূলত সাব এডিটর থেকেই নগর ও বার্তা সম্পাদক বাছাই করা হয়ে থাকে।

ধরো, একটা বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে আছ তুমি। হঠাৎ দেখলে, রাস্তার ধারে একটা বড় বাড়ির ভিতরে বিরাট গোলমাল শুরু হয়েছে। যারা ভিতরে ছিলেন, তারা একে ধাক্কা মেরে, ওকে ঠেলে যত দ্রুত সম্ভব বাইরে বেরিয়ে আসছেন। চারপাশে প্রবল ভিড়। ঠিক সেই সময় কয়েকজন মানুষের আচরণ একেবারেই উল্টো। তাই চাইছেন ওই বাড়ির ভিতরে ঢুকতে। যারা ঢুকতে চাচ্ছেন তারাই হলেন সাংবাদিক।

সিনিয়র ও স্টাফ রিপোর্টারঃ

এই পদগুলো সংবাদপত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, পত্রিকায় পাঠকের চাহিদা তারাই পূরণ করে থাকেন। আর রিপোর্টিং এর উপর ভিত্তি করেই সংবাদপত্রের মান নির্ভর করে। স্টাফ রিপোর্টার পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। স্টাফ রিপোর্টার থেকে সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়। এজন্য নিউজ সেন্স বানান এবং সম-সাময়িক বিষয়ের ওপর ভালো ধারনা থাকা প্রয়োজন।

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

কোনো রিপোর্টার দৈনিক কোনো ইস্যু মিস করে গেলে এর ঘাটতি পূরণ করে দেন তিনি। এর বাইরে আন্তর্জাতিক রিপোর্টের জন্যও সম্পাদককে এই ডেস্কের ওপরই নির্ভর করতে হয়। পত্রিকার সংবাদে বৈচিত্র্য নির্ভর করে ডেস্কের ওপর।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

প্রত্যেক সংবাদপত্রে বিশেষ কাজের জন্য যেসব রিপোর্টার, তথা সাংবাদিককে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয় তারাই বিশেষ প্রতিনিধি।

বিশেষ কাজের জন্য প্রয়োজন সেই বিষয়ে জ্ঞান। স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় যে, বিশেষ সংবাদদাতারা সেই বিশেষ কাজের জন্য একটা যোগ্যতা অর্জন করেছে। সেই যোগ্যতা হচ্ছে সংবাদপত্রের সর্বোচ্চ পেশাগত যোগ্যতা। সংবাদপত্র জগতে বিশেষ সংবাদদাতাগণ সাধারণত আসেন রিপোর্টারদের মধ্যে থেকেই। তারা সচিবালয়, পার্লামেন্ট ও মন্ত্রণালয়ের মতো জায়গাগুলোতে অবাধে বিচরণ করতে পারেন। বিশেষ সংবাদদাতারা মিডিয়ায় ‘এলিট পারসন’ হিসেবেও পরিচিত।

চীফ রিপোর্টারঃ

রিপোটিং দল পরিচালনা করনে চিফ রিপোর্টার। তার অধীনে রিপোর্টার ও ফটোগ্রাফাররা কাজ করেন। তিনি রিপোর্টার ও ফটোগ্রাফারদের মধ্যে দৈনন্দিন বা আগাম কাজ (Assignment) ভাগ করে দেন। কাজ ভাগ করে দেওয়া রিপোর্টারদের মধ্যে বিট ও স্টাফ রিপোর্টাররা অন্যতম।

এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় রিপোর্টার ও ফটোগ্রাফারদের কাছ থেকে সেই কাজ বুঝে নেয়াও তার অন্যতম দায়িত্ব। কোন সংবাদ আজকে যাচ্ছে, সেই সংবাদের Treatment (অবয়ব ও অবস্থান) কতটুকু বা কেমন হবে এ সবই তাকে দেখতে হয়। কোনো সংবাদ মিস হলো কি না কিংবা সংবাদের ফলোআপ করা হবে কি না ইত্যাদি বিষয়ে চিফ রিপোর্টার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সর্বোপরি তিনি বার্তা সম্পাদকের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন।

বৈদেশিক সংবাদদাতাঃ

বৈদেশিক সংবাদদাতা প্রকৃতপক্ষে তার সংবাদ প্রতিষ্ঠান ও দেশের একজন প্রতিনিধি এবং রাষ্ট্রদূত। বিদেশে বসবাস করা, এক রাজধানী থেকে আরেক রাজধানীতে খবরের পিছনে ধাওয়া করা, আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক দুনিয়ার একজন হওয়া এসবই যে কোনো রিপোর্টারের কাছে স্বপ্নলোকের হাতছানি বিশেষ। তিনি সংবাদ বেছে নেয়ার ব্যাপারে স্বাধীন। তবে খবরের হেরফের সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। এজন্য তাকে সংবাদনেপথ্য, জ্ঞান ও লেখায় দক্ষতার অধিকারী হতে হয়।

বিদেশের বিভিন্ন সংবাদ সমাবেশের মধ্যে কোন বিশেষ সংবাদটি তার দেশের পাঠকের জন্য কৌতূহলের বিষয় সেটা অনুধাবন করার ক্ষমতা ও পারদর্শীতাও তাকে অর্জন করতে হবে। ইংরেজি তো বটেই বিভিন্ন দেশের ভাষা জানাটাও গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা, বিরোধ, সংঘাত, যুদ্ধ, শান্তি আলোচনা সবকিছু সম্পর্কে তার সুস্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্লেষণী মন থাকা দরকার।

মফস্বল সংবাদদাতাঃ

আমাদের দেশের অধিকাংশ সংবাদপত্র বা সংবাদসংস্থা রাজধানী ভিত্তিক। বাংলাদেশের অন্যান্য শহর থেকেও সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। মহানগরীর বাইরের মফস্বল অঞ্চল অর্থাৎ জেলা ও থানা পর্যায় থেকে যারা সংবাদ সংগ্রহ ও প্রেরণ করেন তারাই মফস্বল সংবাদদাতা নামে পরিচিত। মফস্বল সংবাদদাতারা সরাসরি রিপোর্টিং বিভাগের অধীন বা সংশ্লিষ্ঠ নন। তবে তারা মফস্বল সম্পাদকের অধীন।

সাব এডিটরঃ

অনেকেরই একটা ধারণা আছে যে, সংবাদপত্রে চাকরি মানেই রিপোর্টিং, কিন্তু তা মোটেও না। এন্ট্রি লেভেলে সাব এডিটর বলেও একটা গুরুত্বপূর্ণ পদ আছে। এমনটা হতেই পারে যে আসল খবরটা আনল অন্য কেউ, কিন্তু সেটাকে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে হলো সাব এডিটরকে অনেক সময় তৈরি কপিও জায়গা অনুযায়ী কেটে ছেঁটে ঠিকঠাক করার এবং হেডিং বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় সাব এডিটরকে। তবে তারা সাধারণত সংবাদপত্রের সাপ্লিমেন্টারি পেজগুলোর দায়িত্বে থাকেন।

ক্রীড়া সাংবাদিকঃ

ক্রীড়া সাংবাদিকতা যে কোনো সংবাদ মাধ্যমের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এ ক্ষেত্রেও স্নাতক হওয়া চাই। স্পোর্টস নলেজের পাশাপাশি খেলায় রাজনৈতিক প্রভাব বা এই জগতের ব্যক্তিত্বদের জীবন সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল হওয়া প্রয়োজন। স্পোর্টস রিপোর্টারকে ভালো সাব এডিটরও হতে হবে।

চিত্র সাংবাদিকঃ

ফিজিক্স ও কেমিষ্ট্রি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা চিত্র সাংবাদিকতায় খুব কাজে আসে। এস এল আর ক্যামেরা দিয়ে হাত পাকানোই ভালো। সঙ্গে রাখতে হবে ওয়াইড অ্যাঙ্গল ও টেলিফটো লেন্স। আজকাল ইন্টারনেট ম্যাগাজিনে ফটো জার্নালিজমের সুযোগ বাড়ছে। একজন ফটো জার্নালিস্টকে উদ্যমী, চটপটে, মিশুক ও ধৈর্যশীল হতে হবে। থাকতে হবে রুচিবোধও।

চিফ মেক-আপ ম্যানঃ

গ্রাফিকে দক্ষতা থাকতে হবে। ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ও কোয়ার্ক এক্সপ্রেস জানতে হবে।

প্রুফ রিডারঃ

বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষতা, শব্দ জ্ঞান ভালো থাকতে হবে। সে সঙ্গে গতি থাকতে হবে প্রুফ রিডিংয়ের উপর।

About Muhammad Faisal

Muhammad Faisal
একরাশ স্বপ্ন মুঠোয় করে হাটছি অবিরাম..........

Check Also

ওয়েবেও রয়েছে ক্যারিয়ারের সুযোগ

ওয়েবেও রয়েছে ক্যারিয়ারের সুযোগ

বর্তমান বিশ্বে অনলাইন শপিং থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, গবেষণা, শেয়ার বাজার, বিমানের টিকিট, খবর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *